ঢাকা , শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬ , ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অনলাইন জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে সিআইডির অভিযান, গ্রেপ্তার ৫ তথ্যমন্ত্রীর গ্রামের বাড়িতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, ইলিশ-রসমালাইয়ের স্বাদে আপ্লুত ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণ নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ মারা গেলেন মেসির বাবা হোর্হে মেসি জুলাই জাদুঘরে কোনো ধরনের দলীয় ইতিহাস দেখতে চাই না: নাহিদ ইসলাম শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জ্বালানি খাতকে স্বনির্ভর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে ‘আমি বন্দী কারাগারে’ গায়ক মুজিব পরদেশী কারাগারে জুলাই শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের মর্যাদা নিশ্চিত করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য মন্ত্রণালয়ের আহ্বান জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে রাজধানীতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা জোরদার জবিতে ছাত্রদল-শিবির দফায় দফায় সংঘর্ষ, ভিপি-জিএসকে মেরে বের করে দেওয়ার অভিযোগ স্বাস্থ্যখাতের বাজেটের সুফল পৌঁছাতে হবে রোগীর দোরগোড়ায়: এমপি শফিকুল ইসলাম মিলন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে আইনানুগ ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা ৬ আগস্ট থেকে সবার জন্য খুলে দেওয়া হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ঢাকার বাতাস আজ কতটা দূষিত? মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন অনেকেই, নতুন করে আলোচনায় যেসব নামআগামী ১৬ আগস্ট বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এ সময়কে সামনে রেখে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের আলোচনা জোরালো হয়েছে। সরকার ও দলীয় সূত্রের দাবি, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা, প্রশাসনিক সক্ষমতা, জনসম্পৃক্ততা এবং সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় ভূমিকার মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। এতে কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বাদ পড়ার পাশাপাশি নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ছয় মাসে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব মন্ত্রী প্রত্যাশিত কর্মদক্ষতা দেখাতে পারেননি বা অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে জড়িয়েছেন, তাদের বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে। সূত্রগুলোর দাবি, বর্তমানে ২৪ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর কর্মসম্পাদনের মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই মন্ত্রিসভায় রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন এবং প্রয়োজনে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে। এ ছাড়া টেকনোক্রেট কোটায় নতুন সদস্য, অতিরিক্ত উপদেষ্টা এবং অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি দলের ত্যাগী, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা এবং তরুণ সংসদ সদস্যদেরও মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি বা স্পিকার পদে নতুন করে কাউকে মনোনয়ন না দেওয়া হলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান এবং সেলিমা রহমানের নাম সম্ভাব্য মন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। এ ছাড়া নতুন মুখ হিসেবে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান এবং রকিবুল ইসলাম বকুলের নামও বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে। সরকারের শরিক ও সমমনা দলগুলোর মধ্য থেকেও কয়েকজন নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ তালিকায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের নাম বিভিন্ন সূত্রে উঠে এসেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে অন্তত ১২ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। অতিরিক্ত দায়িত্বের কারণে কিছু মন্ত্রণালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছে সরকার। এ কারণে দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। সরকারি সূত্রগুলোর দাবি, মন্ত্রীদের মূল্যায়নে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি, প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন, জনভোগান্তি কমাতে নেওয়া উদ্যোগ, মাঠ প্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং জাতীয় সংসদে সক্রিয় অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে সম্ভাব্য রদবদল ও আলোচিত ব্যক্তিদের নাম সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে আলোচনায় রয়েছে। ছাত্র আন্দোলনের জেরে বিহার ও মধ্যপ্রদেশে মুখ থুবড়ে পড়ল বিজেপি

আগামী ৫ বছরে জিডিপিতে আইসিটি-টেলিকম খাতের অবদান ১৫% করার লক্ষ্য সরকারের

  • আপলোড সময় : ১৭-০৫-২০২৬ ০১:০৯:১৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-০৫-২০২৬ ০১:০৯:১৭ পূর্বাহ্ন
আগামী ৫ বছরে জিডিপিতে আইসিটি-টেলিকম খাতের অবদান ১৫% করার লক্ষ্য সরকারের
প্রধানমন্ত্রীর টেলিকম ও আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেছেন, টেলিকম ও আইসিটি খাতকে সরকার দেশের অন্যতম ‘থ্রাস্ট সেক্টর’ হিসেবে বিবেচনা করছে। আগামী পাঁচ বছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) এ খাতের অবদান ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে সেবার মান উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বের শীর্ষ ২০ দেশের মধ্যে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

শনিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে আয়োজিত ‘টেলিকম খাতের ভবিষ্যৎ : নতুন সরকার কী ভাবছে’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি)।

রেহান আসিফ আসাদ বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশের টেলিকম ও আইসিটি খাতের জিডিপিতে অবদান ১ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। তবে সঠিক নীতিমালা, প্রযুক্তি অবকাঠামো এবং সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে এই অবদান কয়েকগুণ বাড়ানো সম্ভব বলে সরকার মনে করছে।

তিনি জানান, গ্রাহকসংখ্যার বিচারে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিশ্বের শীর্ষ ২০ দেশের একটি হলেও সেবার মানের সূচকে দেশের অবস্থান এখনও ৯০-এর পরে। আগামী পাঁচ বছরে এই অবস্থান পরিবর্তন করে আন্তর্জাতিক মানের টেলিকম সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

কর কাঠামো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে মোবাইল অপারেটরদের কার্যকর করহার ৫৫ থেকে ৫৬ শতাংশ, যেখানে বৈশ্বিক গড় মাত্র ২২ শতাংশ। উচ্চ করহার বিনিয়োগ ও সেবার মান উন্নয়নে চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তবে আসন্ন বাজেটে গ্রাহকবান্ধব কিছু পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দেন তিনি।

বিদেশি বিনিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের এফডিআই-জিডিপি অনুপাত মাত্র শূন্য দশমিক ৩৪ শতাংশ, যা অত্যন্ত কম। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে সরকার দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত রোডম্যাপ তৈরি করছে, যাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য পরিবেশ পান।

স্মার্টফোন ব্যবহার বাড়াতে সরকার স্থানীয়ভাবে কমদামি স্মার্টফোন উৎপাদনের উদ্যোগ নিচ্ছে বলেও জানান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার মধ্যে স্মার্টফোন বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি সহজ কিস্তিতে ফোন কেনার সুযোগ দিতে মোবাইল অপারেটর ও ব্যাংকগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে।

স্পেকট্রাম নীতির বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু রাজস্ব আয় নয়; বরং ডেটা সেন্টার, ক্লাউড অবকাঠামো, কনটেন্ট ডেলিভারি এবং সাইবার নিরাপত্তাসহ ডিজিটাল অর্থনীতির সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

সাইবার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তিনি বলেন, জাতীয় অবকাঠামো, সরকারি তথ্য ও গ্রাহক ডেটা সুরক্ষায় দ্রুত উন্নয়ন প্রয়োজন। একইসঙ্গে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য অনুদান, ঋণ, কর্মপরিসর ও স্কেল-আপ সহায়তা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠী ও প্রযুক্তিগত দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। ২০৪৮ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে এবং এ যাত্রায় টেলিকম ও আইসিটি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফকির মাহবুব আনাম। এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন-এর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী, মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব)-এর মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকারসহ সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : সাজিদুল ইসলাম পাঠান

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
অনলাইন জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে সিআইডির অভিযান, গ্রেপ্তার ৫

অনলাইন জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে সিআইডির অভিযান, গ্রেপ্তার ৫